গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে ‘অপপ্রচার’ না করার আহ্বান ঔষধ প্রশাসনের

0
408

নভেল করোনাভাইরাস শনাক্তে টেস্টিং কিট উদ্ভাবনের বিষয়ে সরকারের কাছ থেকে সহযোগিতা না পাওয়ার যে অভিযোগ গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র করেছে, তা নাকচ করে দিয়েছেন ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান।

সোমবার মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি গণস্বাস্থ্যকে উদ্ভাবিত কিটের বিষয়ে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কতটুকু এবং কিভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে তা তুলে ধরার পাশাপাশি কোনো ধরনের অপপ্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন।

গত ২৫ মার্চ গণস্বাস্থ্যের কিট হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সরকারের কোনো প্রতিনিধি না থাকার কারণও ব্যাখ্যা করেন মাহবুবুর রহমান।

মার্চে বাংলাদেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর স্বল্প খরচে নমুনা পরীক্ষার কিট উদ্ভাবনের ঘোষণা দেয় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। এরপর ১৯ মার্চ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর থেকে এই কিট উৎপাদনের অনুমতি পায় তারা।

গত ১১ এপ্রিল এ কিটের নমুনা সরকারের ঔষধ প্রশাসন অধিপ্তর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বিএসএমএমইউ, আইইডিসিআর, আইসিডিডিআরবিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তরের কথা থাকলেও আগের দিন কারখানায় যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিক জটিলতায় তা পিছিয়ে যায়।

এরপর গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসির হাতে কিটের নমুনা তুলে দেয় গণস্বাস্থ্য। কিন্তু ওইদিন সরকারের কোনো প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।

ওই অনুষ্ঠানে গনস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী কিট উদ্ভাবনে বিদেশ থেকে কাঁচামাল আনার ক্ষেত্রে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, শুল্ক বিভাগের কর্মকর্তা, ঔষধ প্রশাসন এবং করোনাভাইরাস পজেটিভ রোগীর রক্তের নমুনা পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ভূমিকার প্রশংসা করে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন।

কিন্তু রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি তাদের কিটের অনুমোদন দিতে স্বাস্থ্য বিভাগের গড়িমসির অভিযোগ তোলেন। একই সঙ্গে ঔষদ প্রশাসনে কিট জমা দিতে গেলেও তা নেওয়া হয়নি বলে জানান।  

কিট তৈরিতে গণস্বাস্থ্যকে দেওয়া সহযোগিতার বিষয়ে মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান বলেন, মার্চ মাসের ১৮ তারিখে উনারা একটি চিঠি নিয়ে আসেন যে উনারা কিট উৎপাদন করবেন এবং সেজন্য কিছু রি-এজেন্ট আমদানি করতে চান। র‌্যাপিড কিটের প্রচলন তখন ছিল না এবং এখনও নাই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এখনও র‌্যাপিড কিট ব্যবহারে সুপারিশ করেনি।

“তা সত্ত্বেও যেহেতু আমাদের দেশের একজন বিজ্ঞানী এটা আবিষ্কার করেছেন, এটা এখন ব্যবহার না করলেও পরবর্তীতে লাগতেও পারে। তাই ১৯ মার্চ আমরা মিটিংয়ে বসে রি-এজেন্ট আনার অনুমতি বা এনওসি দেই কতগুলো শর্ত সাপেক্ষে। ট্রায়াল বেইজে তৈরি করার জন্য আমরা রি-এজেন্ট আনার অনুমতি দেই।”

অধিদপ্তরের একটি প্রতিনিধি গত ২৮ মার্চ গণস্বাস্থ্যের কারখানা পরিদর্শনে গিয়ে তখনও যন্ত্রপাতি পুরোপুরি বসানো হয়নি দেখতে পায় জানিয়ে মাহবুবুর রহমান বলেন, “আবার ৭ এপ্রিল উনাদের প্রতিষ্ঠানে গিয়েছে প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং দেখা গেল কিছু মেশিন স্থাপন করা হয়েছে। তখন আমরা বললাম প্রডাক্ট নয়, ট্রায়াল বেইজে যেতে পারেন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here