‘বড় ভুল’ করছে চীন, শিগগিরই কঠোর ব্যবস্থা ট্রাম্পের

0
283

চীনের হংকং নিরাপত্তা আইন চালুর পরিকল্পনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করছে। সপ্তাহ শেষের আগেই এ সংক্রান্ত ঘোষণা আসতে চলেছে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

মার্কিন অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ল্যারি কাডলো মঙ্গলবার চীনের কর্মকাণ্ড ‘খুবই বিরক্তিকর’ এবং দেশটি ‘বড় ধরনের ভুল’ করছে বলে মন্তব্য করার পর ট্রাম্প এক সংবাদ ব্রিফ্রিংয়ে একথা জানালেন।

চীনের পার্লামেন্টে বৃহস্পতিবারই প্রস্তাবিত নিরাপত্তা আইন পাসের কথা রয়েছে। এ আইন চালু হলে হংকংয়ের বিশেষ স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হবে। তাছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের করা আইনে হংকং যে বিশেষ বাণিজ্য মর্যাদা পাচ্ছে তাও প্রশ্নের মুখে পড়বে।

চীনকে ঠেকাতে কি ধরনের পদক্ষেপের কথা ভাবা হচ্ছে? নিষেধাজ্ঞা আরোপ নাকি চীনা ছাত্রছাত্রী এবং গবেষকদের জন্য ভিসা বন্ধ করা? হোয়াইট হাউজের নিউজ ব্রিফিংয়ে ট্রাম্পকে এমন প্রশ্ন করা হলে জবাবে খোলাসা করে কিছু বলেননি তিনি।

ট্রাম্প কেবল বলেন, এখন কিছু একটা করা হচ্ছে এবং আগামী দিনগুলোতে তিনি সেটি নিয়ে কথা বলবেন।

নিষেধাজ্ঞা আসছে কিনা তা আবারো জানতে চাওয়া হলে ট্রাম্প বলেন, “না, এ ব্যাপারে আপনারা জানতে পারবেন… সপ্তাহ শেষের আগেই।” বিস্তারিত আর কিছু বলেন নি তিনি।

এর আগে গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও’ব্রায়ান সিবিএস নিউজের ‘ফেস দ্য ন্যাশন’ প্রোগ্রামে হংকংয়ের জন্য প্রস্তাবিত নিরাপত্তা আইনকে কেন্দ্র করে চীনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন।

এরপরই চীন কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র কোনো নতুন পদক্ষেপ নিলে এর পাল্টা ব্যবস্থা নেবে তারা। হংকং ইস্যু পুরেপুরি চীনের অভ্যন্তরীন বিষয়; এক্ষেত্রে কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ মানা হবে না-সেকথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে চীন।

কিন্তু চীনের নিরাপত্তা আইনের বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্প যে অসন্তুষ্ট হয়ে আছেন সেকথা আগেই জানিয়েছিলেন হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র।

ট্রাম্পের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কাডলো ‘ফক্স নিউজ’ চ্যানেলে বেইজিংয়ের এ পদক্ষেপকে ‘বিরাট ভুল’ বলে সমালোচনা করেছেন এবং বলেছেন, যেসব আমেরিকান কোম্পানি চীন থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে চায় তাদের পাশে থাকবে ওয়াশিংটন।

করোনাভাইরাস মহামারী নিয়ে বাগযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যেই হংকং পরিস্থিতি নিয়ে দু’পক্ষের বিরোধ বাড়ছে।

সম্পর্কের এই অবনতির মুখে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা চীনে কার্যক্রম গুটিয়ে ফেলার জন্য মার্কিন ফার্মগুলোকে উৎসাহিত করারই পথ খুঁজছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here