রিচ্ছন্নতা কর্মীর গায়ে হাত তোলার প্রশ্নই আসে না : সাব্বির

0
288

রাজশাহীতে নিজ বাড়ির সামনে এক পরিচ্ছন্নতা কর্মীর গায়ে হাত তুলেছেন জাতীয় ক্রিকেটার সাব্বির রহমান রুম্মন। রোববার (৩১ মে) সন্ধ্যার পর রাজশাহীর এক অনলাইনে এমন খবর প্রকাশের পর তা বিদ্যুৎ গতিতে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইনে। সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় সমালোচনার ঝড়। ক্রিকেটার সাব্বির রহমান আবারও হতে থাকেন নিন্দিত।

কিন্তু যাকে নিয়ে এত কথা, যার বিপক্ষে পরিচ্ছন্নতা কর্মীর গায়ে হাত তোলার অভিযোগ, সেই সাব্বির রহমান সরাসরি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

রোববার রাতে জাগো নিউজের সঙ্গে আলাপে সাব্বির জানান, তিনি ওই পরিচ্ছন্নতা কর্মীর গায়ে হাত তোলেননি। বিষয়টি অতিরঞ্জিত করা হয়েছে। বরং ওই পরিচ্ছন্নতা কর্মীই তার সঙ্গে অসৎ আচরণ করেছেন। তবে স্বীকার করেছেন, তাদের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়েছে। কিন্তু কোনোরকম মারধরের ঘটনা ঘটেনি।

করোনায় লকডাউনে নিজ শহর রাজশাহীতে অবস্থানরত সাব্বির রহমান জাগো নিউজের সঙ্গে মুঠোফোন আলাপে জানান, ‘আমি আজ (রোববার) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে পারিবারিক কিছু প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনে বাইরে থেকে গাড়িতে করে বাসায় ঢুকছিলাম। আমার বাসার সামনে একটি বড় গেট আছে। দেখি ঠিক রাস্তা মাঝখানে সেখানে একটি ময়লা নিষ্কাষণের গাড়ি দাঁড় করানো। তবে ড্রাইভার নেই। আমি তাই হর্ন বাজিয়ে তাকে ডাকার চেষ্টা করি। লোকটি পাশে গল্প করছিল।’

‌‘সে আমাকে বিড়বিড় করে কি যেন বলছিল। এবং চোখের ভাষা ও মুখায়বে নেতিবাচক অঙ্গভঙ্গি করছিল। আমি তাকে ভাই বলে ডাকি। আমি তাকে, বললাম এখানে গাড়ি রেখেন না। কোন সাইডে রাখেন না। সে আমাকে বলে হর্ন বাজান কেন? সে আমাকে উল্টো উত্তপ্ত করতে শুরু করে। আমি ন্যাশনাল ক্রিকেটারতো কী হয়েছে-এই বলে হাড়া গলায় তির্যক কথাবার্তা বলতে শুরু করে। আমি খানিক বিব্রতবোধ করি। কারণ সেই মানুষটি আমার বাসার পাশেই থাকে।’

‘‌আমার ভেতরে খারাপ লাগার আরও একটি কারণ হলো, আমার আব্বা তাকে নিয়মিত সাহায্য-সহযোগিতা করেন। আমিও করোনাকালীন সময়ে যা পেরেছি সাহায্য করেছি। সেই মানুষটি আমার সাথে এমন ব্যবহার করতে পারে দেখে ও শুনে মনটা খারাপ হয়ে যায়।’

তিনি বলেন, এ পুরো কার্যক্রমের সঙ্গে ওয়ার্ড কাউন্সিলররা সম্পৃক্ত থাকবেন।

“এ কার্যক্রম যথাযথভাবে চললে আশা করছি আগামী বছর থেকে মশার প্রজনন ব্যাপকভাবে হ্রাস পাবে। নগরবাসী ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হোক তা আমরা চাইনা। এ কারণেই করোনার এ মহামারীর মধ্যেও মশক নিধন কার্যক্রম বেগবান করা হয়েছে।”

আগামী ১৪ জুন থেকে ডিএসসিসি এলাকার জলাশয় এবং নর্দমা পরিষ্কার শুরু হবে। জলাশয়ে তেলাপিয়া মাছ চাষের পাশাপাশি হাঁস পালনের উদ্যোগের কথা জানান তাপস।

“এতে জলাশয় সচল থাকবে ফলে মশার লার্ভা থাকতে পারবে না।” বলেন শেখ ফজলে নূর তাপস।

এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিম, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর, ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্‌ মো. ইমদাদুল হক, ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মকবুল হোসেন এবং ডিএসসিসির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here