করোনা: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় “ঘি”

0
1002

করোনা ভাইরাস। নামটা শুনলেই প্রত্যেকেই যেন আতঙ্কিত। একের পর এক শহরে মুহূর্তের মধ্যে প্রবেশ করছে এই ভাইরাস। একজনের থেকে আরেকজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস। মানুষের নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের সঙ্গেই ছড়িয়ে যাচ্ছে এই রোগের জীবানু। কোনওভাবেই আটকানো যাচ্ছে না এই ভাইরাসকে। নোবেলা করোনা প্রকৃতির এই করোনা ভাইরাস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এটি আসলে ফ্ল্যাবিও ভাইরাস, যা খুব দ্রুত ছড়িয়ে যাচ্ছে। সারা বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে এই করোনার জেরে। মারণ রোগের হাত থেকে বাঁচতে যতটা সম্ভব মানুষ নিজেকে সরিয়ে রাখছে। আর তার জন্য যা যা করণীয় তার সবটাই করছে প্রত্যেকে। মাস্ক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার তো রয়েইছে এর পাশাপাশি “ঘি”  এমন একটি খাবার, যা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।

ঘি VS করোনা ভাইরাস !
—————————-

এই করোনাকালে শরীর সুস্থ রাখতে দরকার পুষ্টিকর খাবার। খাঁটি ঘিয়ের রয়েছে বিস্ময়কর কিছু গুণ; যা এই করোনাকালে শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। এটি স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা সম্পৃক্ত চর্বির উৎস। যদিও ঘি খাওয়ার বিষয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে, তবে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে ঘি স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান বলে বর্ণনা করা হয়েছে।

সর্দি-কাশি সারাতে, দুর্বলতা কাটাতে, ত্বকের সমস্যা দূর করতে ঘি ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া ঘিয়ে পেঁয়াজ ভেজে খেলে গলা ব্যথা সারে। চ্যবনপ্রাশ তৈরির অন্যতম উপকরণ এটি। ‘ইন্ডিয়ান জার্নাল অব মেডিকেল রিসার্চ’ এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

ভারতের প্রখ্যাত পুষ্টিবিদ সন্ধ্যা গুগনানির মতে, শীতকালই ঘি খাওয়ার উপযুক্ত সময়। এ সময় এটি সহজে হজম হয় ও শরীর গরম রাখে। এতে ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে আছে।

ঘি অবশ্য অল্প পরিমাণে খাওয়াই ভালো। যাঁদের কোলস্টেরলের সমস্যা আছে তাঁদের ঘি এড়িয়ে চলা উচিত।

দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার পাশাপাশি পেশি সুগঠিত রাখতে ঘি কার্যকর। এ ছাড়া শীতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া ঠেকাতে পারে ঘি। প্রতিদিন সকালে এক বা দুই চা-চামচ ঘি খাওয়া যেতে পারে। এরপর গ্রিন টি বা সাধারণ চা ও কফি খেলে উপকার পাওয়া যায়।

প্রতিদিন কেন এক চামচ ঘি খাবেন?
————————————–

১. ত্বকের শুষ্কতা দূর করে তা আর্দ্র রাখে।
২. ভিটামিন এ থাকায় এটি চোখের জন্য ভালো। গ্লুকোমা রোগীদের জন্য উপকারী। এটি চোখের চাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
৩. ঘি খেলে যে হরমোন নিঃসরণ হয়, এতে শরীরের সন্ধিগুলো ঠিক থাকে।
৪. এটি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ বলে অন্য খাবার থেকে ভিটামিন ও খনিজ শোষণ করে শরীরকে রোগ প্রতিরোধে সক্ষম করে তোলে।
৫. পোড়া ক্ষত সারাতে কাজ করে ঘি। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে আছে ঘি খেলে মস্তিষ্কের ধার বাড়ে ও স্মৃতিশক্তি বাড়ে। তথ্যসূত্র: টিএনএন।

খাঁটি ঘি চেনার উপায় !
————————-

ভেজালের ভিড়ে খাঁটি ঘি চেনা দায়। জেনে নিন কীভাবে বুঝবেন বিশুদ্ধ ঘি খাচ্ছেন কিনা।

# ঘি খাঁটি কিনা সেটা বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো প্যানে গরম করা। এক চামচ ঘিদিন গরম প্যানে। যদি ঘি তাৎক্ষণিকভাবে গলে যায় এবং গাঢ় বাদামি রঙে পরিণত হয়, তবে এটি খাঁটি ঘি। যদি ঘি গলতে সময় নেয় এবং হলদে হয়ে যায়, তবে বুঝবেন ঠকেছেন আপনি।

# একটি কাচের বয়ামে খানিকটা ঘি নিন। একটি গরম পানির পাত্রে বয়ামটি বসিয়ে গরম করুন। গলে গেলে ফ্রিজে রেখে দিন বয়াম। যদি ঘি দুই লেয়ারে জমে, তা হলে বুঝবেন ঘিয়ের সঙ্গে নারিকেল তেল মেশানো হয়েছে।  >> ১ চা চামচ ঘি নিন হাতের তালুতে। ঘি যদি ত্বকের সংস্পর্শে আপনাতেই গলে যায় তবে বুঝবেন ঘি বিশুদ্ধ।

# তরল ঘিয়ের মধ্যে সামান্য আয়োডিন সলিউসন দিন। যদি বাদামি রঙের সলিউসনটি বেগুনি রঙ ধারণ করে, তবে বুঝবেন ঘি খাঁটি নয়।

পাবনার বিখ্যাত ১০০% খাঁটি গাওয়া ঘি !
——————————————

ইতিমধ্যেই আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পৌছে স্বাদে গন্ধে মানুষের মন জয় করেছে বিখ্যাত পাবনার গাওয়া ঘি।

দেশ জয় করে এখন সারা বিশ্বেও রপ্তানি হচ্ছে পাবনার ঘি। আপনিও ঘরে বসে উপভোগ করতে পারেন সরাসরি নিজস্ব ফার্মে প্রস্তুতকৃত পাবনার খাঁটি গাওয়া ঘি’র স্বাদ!!!

আমাদের ঘি-এর বৈশিষ্ঠসমূহঃ

# সম্পূর্ণ ঘরে বানান, যা যেকোনো দোকান থেকে অধিক গুনগত মানসম্মত।
# ঠান্ডা তাপমাত্রায় ২ বছরের ও বেশি সময় পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে পারবেন।
# বাচ্চাদের মেধাশক্তি বিকাশ ও স্বাস্থ্যবান করে তুলবে।

মূল্যঃ

৫০০ গ্রামঃ ৭২৫/- টাকা
১০০০ গ্রামঃ ১৪০০/- টাকা

ডেলিভারি টাইমঃ ৪৮ ঘণ্টা !
প্যেমেন্ট মেথডঃ ক্যাশ অন ডেলিভারি !

অর্ডার করতে আমাদের শপ লিঙ্কে যান অথবা পোষ্টে কমেন্ট/ম্যাসেজ এর মাধ্যমে অর্ডার করতে পারবেন।

শপ লিঙ্কঃ https://bit.ly/2XDODl2
অর্ডার করতেঃ 01978-002030

★★★ ফ্রী হোম ডেলিভারি সমগ্র বাংলাদেশ ★★★

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here