খবর > স্বাস্থ্য কেবল গুরুতর রোগীদের জন্য ডেক্সামেথাসোন: ডব্লিউএইচও

0
345

প্রাণ বাঁচাতে সহায়তা করতে সক্ষম স্টেরয়েড ডেক্সামেথাসোন কেবল গুরুতর কোভিড-১৯ রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।প্রাণ বাঁচাতে সহায়তা করতে সক্ষম স্টেরয়েড ডেক্সামেথাসোন কেবল গুরুতর কোভিড-১৯ রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞরা বড় ধরনের ট্রায়াল শেষে মঙ্গলবার ঘোষণা করে, সস্তা ও সহজলভ্য কম মাত্রার স্টেরয়েড ডেক্সামেথাসোন ভেন্টিলেটর সাপোর্টে থাকা রোগীদের মৃত্যুর ঝুঁকি এক তৃতীয়াংশ এবং অক্সিজেন সাপোর্টে থাকা রোগীর মৃত্যুর ঝুঁকি এক-পঞ্চমাংশ কমায়, যা মারাত্মক এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বড় অগ্রগতি।

রয়টার্স জানায়, বুধবার ডব্লিউএইচও -এর প্রধান তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় অবশেষে গবেষণা “আশায় সবুজ অঙ্কুর” হয়ে এসেছে বলে উল্লেখ করেছেন।

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারীতে এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষ মারা গেছে। আক্রান্ত হয়েছে ৮৩ লাখেরও বেশি।

ডেক্সামেথাসোন এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জীবন বাঁচাতে সক্ষম প্রথম ড্রাগ হিসাবে প্রমাণিত হওয়ার পর বিভিন্ন দেশ পর্যাপ্ত পরিমাণে ওষুধটি মজুদ রাখাটা নিশ্চিত করতে শুরু করেছে। তবে মেডিকেল কর্মকর্তারা বলছেন, ওষুধটির কোনো ঘাটতি নেই।

ডব্লিউএইচওর জরুরি কর্মসূচির প্রধান মাইক রায়ান এক ব্রিফিংয়ে জানান, ওষুধটি কেবল সেই সব গুরুতর ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা উচিত যেখানে এটি সাহায্য করতে পারে বলে প্রমাণিত হয়েছে।

“ওষুধটি মারাত্মক অসুস্থ ও গুরুতর অবস্থায় থাকা রোগীদের ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত রাখাটা এই ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এরাই এই ড্রাগ থেকে পরিষ্কারভাবে উপকৃত হতে পারে।”

এর আগে ব্রিটেন রোগীদের চিকিৎসায় ডেক্সামেথাসোনের মজুদ ২ লাখ ৪০ হাজার ডোজে বাড়ানোর ঘোষণা দেয়।

যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন, ডেক্সামেথাসোন করোনাভাইরাসের হালকা লক্ষণযুক্ত রোগীদের সাহায্য করে না। যাদের শ্বাস নিতে সমস্যা হয় না তাদের এ ওষুধ দরকার নেই।

তেদ্রোস মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেন, “অক্সিজেন ও ভেন্টিলেটর সাপোর্টে থাকা কোভিড-১৯ রোগীদের মৃত্যুর হার হ্রাস করা দেখানো প্রথম চিকিৎসা এটিই।”

সংস্থাটি জানায়, কোভিড-১৯ চিকিৎসায় কীভাবে ও কখন ওষুধটি ব্যবহার করা উচিত তা নিয়ে ডব্লিউএইচও -এর ক্লিনিক্যাল নির্দেশনা হালনাগাদ করা হবে।

দক্ষিণ কোরিয়ার শীর্ষ স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা ডেক্সামেথাসোনের ব্যবহার নিয়ে সতর্কতা প্রকাশ করেছেন। আর ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও সুইজারল্যান্ড আরও তথ্যের জন্য অপেক্ষা করার কথা জানিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here