গরুর লাম্পি স্কিন: প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে ‘জরুরি’ নির্দেশনা

0
320

দিনাজপুরে গবাদি পশুর মধ্যে গোবসন্ত বা লাম্পি স্কিন (এলএসডি) রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় তা রোধে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

এ রোগে আক্রান্ত গবাদিপশুর চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বুধবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পত্র প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশে গরুর লাম্পি স্কিন রোগ প্রথম দেখা গেছে ২০১৯ সালে চট্টগ্রামে। এরপরই মাঠে নামে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তদন্ত টিম। তখন দেশের ১২ জেলায় ৪৮ হাজার গরুর মধ্যে এ রোগের লক্ষণ খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। দুই বছর পর আর রোগটি দেখা দিল।

গত শতকের মাঝামাঝিতে দক্ষিণ আফ্রিকা, বতসোয়ানা, মোজাম্বিকসহ আফ্রিকার দেশগুলোতে হাজার হাজার গরু লাম্পি স্কিনে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় এবং শত শত খামার বন্ধ হয়ে যায়।

সম্প্রতি আফ্রিকা মহাদেশে ৪০ শতাংশ গরু এই রোগে মারা গেছে বলে জানিয়েছে কৃষি তথ্য সার্ভিস- এআইএস।

এআইএস বলছে, “মূলত আফ্রিকায় একাধিকবার মহামারী আকারে দেখা গেলেও আমাদের দেশে গরুতে এই রোগের প্রাদুর্ভাব কখনো মহামারী আকারে দেখা যায় নাই। একটা খামারকে অর্থনৈতিকভাবে ধসিয়ে দেওয়ার জন্য এফএমডি বা খুরা রোগের চেয়ে একে অনেক বেশি ভয়ংকর রোগ হিসেবে ধরা হয়।”

এ রোগে আক্রান্ত গবাদিপশুর চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বুধবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পত্র প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশে গরুর লাম্পি স্কিন রোগ প্রথম দেখা গেছে ২০১৯ সালে চট্টগ্রামে। এরপরই মাঠে নামে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তদন্ত টিম। তখন দেশের ১২ জেলায় ৪৮ হাজার গরুর মধ্যে এ রোগের লক্ষণ খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। দুই বছর পর আর রোগটি দেখা দিল।

গত শতকের মাঝামাঝিতে দক্ষিণ আফ্রিকা, বতসোয়ানা, মোজাম্বিকসহ আফ্রিকার দেশগুলোতে হাজার হাজার গরু লাম্পি স্কিনে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় এবং শত শত খামার বন্ধ হয়ে যায়।

সম্প্রতি আফ্রিকা মহাদেশে ৪০ শতাংশ গরু এই রোগে মারা গেছে বলে জানিয়েছে কৃষি তথ্য সার্ভিস- এআইএস।

এআইএস বলছে, “মূলত আফ্রিকায় একাধিকবার মহামারী আকারে দেখা গেলেও আমাদের দেশে গরুতে এই রোগের প্রাদুর্ভাব কখনো মহামারী আকারে দেখা যায় নাই। একটা খামারকে অর্থনৈতিকভাবে ধসিয়ে দেওয়ার জন্য এফএমডি বা খুরা রোগের চেয়ে একে অনেক বেশি ভয়ংকর রোগ হিসেবে ধরা হয়।”

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পত্রে আক্রান্ত এলাকার প্রতিটি ইউনিয়নে একজন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বা একজন ভেটেরিনারি সার্জন অথবা একজন প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তার নেতৃত্বে উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা অথবা ভেটেরিনারি ফিল্ড অ্যাসিসটেন্ট বা ফিল্ড অ্যাসিসটেন্ট (এআই)-এর সমন্বয়ে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম গঠন করতে বলা হয়েছে।

লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত প্রতিটি গবাদিপশু সরেজমিনে পরিদর্শন করে চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য মেডিকেল টিমকে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট প্রাণিসম্পদ দপ্তরকে প্রতিদিন চিকিৎসা প্রদান করা গবাদিপশুর মালিকের নাম ও মোবাইল নম্বরসহ ঠিকানা সম্বলিত তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here