ওয়ানডে বিশ্বকাপে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন হলে ক্ষতি কী

0
249

প্রায় এক বছর কেটে গেছে। কিন্তু রস টেলরের হৃদয়ের রক্তক্ষরণ এখনো বন্ধ হয়নি। হবেই বা কীভাবে! পুরো ১০০ ওভার প্রতিপক্ষের সঙ্গে সমানে সমানে লড়লেন। ম্যাচ টাই হলো। এরপর সুপার ওভারও টাই। কিন্তু বাউন্ডারির অদ্ভুত এক হিসাব–নিকাশের কারণে টেলররা দেখলেন ওয়ানডে বিশ্বকাপের ট্রফি নিয়ে উল্লাস করছে প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড।

নিউজিল্যান্ডের টেলর ভাবেন, কী এমন হতো যদি ট্রফিটা ভাগাভাগি করে হাতে তুলতো দুদল। লর্ডসের সেই ফাইনালের প্রায় এক বছর পর নিউজিল্যান্ড ব্যাটসম্যান ভাবছেন ওয়ানডে ক্রিকেটে টাই ম্যাচে সুপার ওভারের কোনো দরকারই নেই। টেলর বলছেন, ৫০ যোগ ৫০—১০০ ওভারের ম্যাচ শেষে কাউকে আলাদা করা না গেলে জোর করে আলাদা করার দরকার কী। দুদলই সাফল্যাটা সমানভাবে ভাগ করে নিক না।

২০১৯ বিশ্বকাপের সেই ফাইনালের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা পরিবর্তন এনেছে প্লেয়িং কন্ডিশনে। যোগ হয়েছে সুপার ওভারও টাই হলে আরও সুপার ওভার খেলে জয়ী দল খুঁজে বের করার নিয়ম। কিন্তু টেলর ভাবছেন যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করতে ক্ষতি কী।

ক্রিকইনজিফ নামের এক সুপার ওভার নিয়ে আমি এখনো দ্বিধায় আছি। ওয়ানডে ক্রিকেট এত লম্বা সময় ধরে হয়ে থাকে যে আমার মনে হয় না টাই হলে কোনো সমস্যা আছে। টি–টোয়েন্টির জন্য এটা ঠিক আছে। ফুটবল ও অন্য কিছু খেলার মতো এখানেও বিজয়ীকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করা উচিৎ। তবে আমার মনে হয় না ওয়ানডে ম্যাচে সুপার ওভারের দরকার আছে। আমি মনে করি যুগ্মভাবে জয়ী ঘোষণা করলে কোনো ক্ষতি নেই।’

এরপর বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়েও স্মৃতিচারণ করলেন টেলর, ‘বিশ্বকাপে ম্যাচ শেষে আমি আম্পায়ারকে গিয়ে বললাম ”ভালো খেলা চালিয়েছেন”। আমি জানতামই না সুপার ওভার আছে। টাই তো টাই–ই। আপনি হয়তো অন্য যুক্তিই দিতে পারেন। কিন্তু আমি মনে করি ১০০ ওভার শেষেও যদি দুই দল সমান থাকে, তবে টাই কোনো খারাপ বিষয় নয়।’

বিশ্বকাপের পরে টি–টোয়েন্টিতে আরও তিনবার সুপার খেলতে হয়েছে নিউজিল্যান্ডকে। ভারত ও ইংল্যান্ডের কাছে তিনটিতেই হেরেছে কিউইরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here