চীনে শনাক্তের ৯ মাস আগেই স্পেনে করোনার উপস্থিতি

0
262

চীনের অনেক আগেই স্পেনে পরিত্যক্ত পানিতে করোনার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন স্পেনের ভাইরোলজিস্টরা।

শুক্রবার ইউনিভার্সিটি অব বার্সেলোনা জানিয়েছে, ওই পরিত্যক্ত পানি বার্সেলোনা থেকে ২০১৯ সালের মার্চে সংগ্রহ করা হয়েছিল। অর্থাৎ চীনে করোনার প্রাদুর্ভাবেরও নয় মাস আগের ঘটনা এটি।

ইউনিভার্সিটি অব বার্সেলোনার ওই গবেষক দলটি চলতি বছরের এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় থেকে পরিত্যক্ত পানি পরীক্ষা করে দেখছে। তারা আরও কিছু পুরনো নমুনা নিয়েও পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তারা বলছেন, বার্সেলোনায় চলতি বছরের জানুয়ারির ১৫ তারিখে প্রথম করোনার উপস্থিতি ধরা পড়েছে। অর্থাৎ সরকারিভাবে প্রথম শনাক্তের ঘটনা প্রকাশ হওয়ারও ৪১ দিন আগেই করোনার উপস্থিতি ছিল।

এরপরেই তারা ২০১৮ সালের জানুয়ারি এবং ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সংগ্রহ করা হয়েছে এমন কিছু নমুনা পরীক্ষা করে দেখেছেন। এর মধ্যেই ২০১৯ সালের ১২ মার্চ সংগ্রহ করা নমুনায় করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি নজরে এসেছে।

এদিকে, স্প্যানিস সোসাইটি ফর পাবলিক হেলথ অ্যান্ড স্যানিটারি অ্যাডমিন্সট্রেশনের ডা. জোন রামোন রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে, এ বিষয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব নয়।

ইউনিভার্সিটি অব বার্সেলোনার ওই গবেষক দলটি চলতি বছরের এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় থেকে পরিত্যক্ত পানি পরীক্ষা করে দেখছে। তারা আরও কিছু পুরনো নমুনা নিয়েও পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তারা বলছেন, বার্সেলোনায় চলতি বছরের জানুয়ারির ১৫ তারিখে প্রথম করোনার উপস্থিতি ধরা পড়েছে। অর্থাৎ সরকারিভাবে প্রথম শনাক্তের ঘটনা প্রকাশ হওয়ারও ৪১ দিন আগেই করোনার উপস্থিতি ছিল।

এরপরেই তারা ২০১৮ সালের জানুয়ারি এবং ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সংগ্রহ করা হয়েছে এমন কিছু নমুনা পরীক্ষা করে দেখেছেন। এর মধ্যেই ২০১৯ সালের ১২ মার্চ সংগ্রহ করা নমুনায় করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি নজরে এসেছে।

এদিকে, স্প্যানিস সোসাইটি ফর পাবলিক হেলথ অ্যান্ড স্যানিটারি অ্যাডমিন্সট্রেশনের ডা. জোন রামোন রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে, এ বিষয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, যখন একটি বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসতে হয় তখন সব সময়ই আরও বেশি তথ্য, আরও বেশি গবেষণা এবং আরও বেশি নমুনার মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হতে হয়।

স্পেনে এখন পর্যন্ত ২৮ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here